দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যেসব পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেননি, তাদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ জন্য পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।
শনিবার (২৫ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের যেসব পরীক্ষার্থী প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র; মাদ্রাসা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের অফিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, কেবল তারাই আবার অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলোতে বাদ পড়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের কাজ ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এরপর নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীদের তথ্য ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠাতে বলা হয়েছে। বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থী বিচ্ছিন্নভাবে ১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো যে নতুন তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে, বাদ পড়া এই শিক্ষার্থীরাও চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে একই সূচিতে ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান–এই পাঁচ জেলার পরীক্ষা আগে থেকেই স্থগিত রয়েছে।
কে